অসম্ভব ভাল ছবি। এক কথায় অনবদ্য। বহুদিন পরে একটা ভাল ছবি দেখলাম। একবিংশ শতাব্দীতে এধরনের ছবি আর আগে আসে নি। অনবদ্য এবং অসাধারণ। শুধু যে প্রাসঙ্গিক ও সময় উপযোগী ছবি তাই নয়, একেবারে অপরূপ সৌন্দর্যের মূলে কুঠারাঘাত করেছেন। তৃতীয় বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে আমরা যখন সম্রাজ্যবাদীদের চোখ রাঙ্গানো আর আমলাতান্ত্রীক জটিলতার শিকার হয়ে ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছি একটি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে; ঠিক তখনি, ঠিক সেই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আপনার এই ছবির মাঝে আমি খুঁজে পাচ্ছি অন্ধকার ঠেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার একটি সম্ভাবনা । আর বিদেশী বেনিয়াদের কাছে বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্ব গ্রহন করার বিপক্ষে একটি সূক্ষ্ম বার্তা। আপনার এই ছবি হতে পারে আই এস এর বিরুদ্ধে আমাদের রুখে দাড়ানোর অনুপ্রেরণা। হতে পারে ২০১৯ বিশ্বকাপ জেতার অনুপ্রেরণা। এই ছবি হতে পারে ২০৫০ সালের নতুন লায়লা মজনুর প্রেমের কারণ । আপনার এই ছবি হতে পারে বাংলাদেশের প্রথম অস্কার বিজয়ী ছবির অনুপ্রেরণা,, আপনার এই ছবি সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক সাংস্কৃতিক যেকোনো প্রক্ষাপট নিমিষে পাল্টে দিতে পারে,,,, এই ছবি দেখে একজন ক্ষুদার্থ ব্যক্তি সারাদিন না খেয়ে থাকার যন্ত্রণা নিমিষে ভূলে যেতে পারে, সৌন্দর্য দেখার জন্য খুব বেশি দূরে যাওয়ার যে প্রয়োজন নেই তা আপনার ছবি দেখে আমি অনুধাবন করলাম, আমার ধারনা বিশ্বের বিখ্যাত সব সমালোচকদের এক সাথে করলেও এই ছবির কোন ভূল ধরতে পারবে না,,,, আপনাকে একটা কথা বলব ভবিষ্যতে এত সুন্দর ছবি দিয়েন না,, কারন সৌন্দর্যেরও কিছু লিমিট থাকা দরকার,,,, খুব বেশি কিছু বলবনা কারন আবেগে চোখে পানি চলে আসছে,,,,, পরে আবার টিস্যু পেপার লাগবে.. ###### ইহা আসলেই একটি দূর্দান্ত ছবি। অসাধারন মুখ ভঙ্গি ছবিটিকে আকর্ষনীয় করে তুলেছে। এমন পোজ জাতি আগে দেখে নাই। ছবিটির অসাধারন ব্যাকগ্রাউন্ড আমার মনকে ছুয়ে গেছে।ছবিটি ক্যামেরার অসাধারন ব্যবহার হয়েছে।সঠিক ভাবে ফোকাস এবং ফ্রেমিং করা হয়েছে।এই অসাধারণ ছবিটি যে তুলেছে তাকেও ধন্যবাদ জানাই।আর এই ছবির এডিট ছবির মাহাত্ব্য আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। অসাধারণ এডিট! নামীদামি ফোটগ্রাফারের অনুপ্রানীত করবে এই সকল ছবি।মডেল হিংসার কারণ হবে এই ছবি। অসাধারণ মডেল,ফোটগ্রাফার ,লোকেশন এবং এডিটের মিলবন্ধনের কারণেই আমি এত সুন্দর ছবি দেখতে পাচ্ছি।ফেসবুকবাসী এমন ছবি আরো দেখতে চায়। রিয়েলদের এমন অসাধারন ছবি জাতি বারবার দেখতে চায়। সবশেষে কিছু আবেগিত সত্য কথা বলতে চাই।এত সুন্দর একটা ছবির পোস্টে কমেন্ট করতে পেরে আমি আজ আনন্দে ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। প্রথমেই বলে নিতে চাই, পোস্টে কমেন্ট করাটা খুব সহজ কাজ ছিল না। আমার চারপাশের প্রত্যেকটা মানুষ মাথার ঘাম পায়ে ফেলে আমায় সাহায্য করেছেন এ পোস্টে কমেন্ট করতে। এজন্য আমি সবার আগে ধন্যবাদ দিতে চাই স্যার মার্ক জাকারবার্গকে। উনি না থাকলে আমি আজ এ পোস্টে কমেন্ট করতে পারতাম না। এরপর আমি ধন্যবাদ দেব আমার দাদাকে। যার জন্ম না হলে আমার বাবার জন্ম হতনা। আর আমার বাবার জন্ম না হলে আমারও জন্ম হতনা। আর আমার জন্ম না হলে এ পোস্টে আমি কমেন্ট করতে পারতাম না। এরপর আমি ধন্যবাদ দিতে চাই আমি আমার জুতার ফিতাকে। একদিন জুতায় ফিতা বাঁধতে গিয়ে আমি একটা বড় দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাই। সেই দিন মারা গেলে আজ আমি পোস্টে কমেন্ট করতে পারতাম না। আমি আর কিছু লিখতে পারছি না। আপনার পোস্টে কমেন্ট করতে পেরে আমার উত্তেজনায় হাত কাঁপছে, আনন্দে আমার চোখ বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে। অসাধারণ পোস্ট। বাংলাদেশের ইডেন বিশ্ববিদ্যালয় ও এ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের বিষয়ে প্রতিষ্ঠিত হেজিমনিক অবস্থান যে নানাবিধ গড় হিসাবের কারণে এবং পর্দানশীল মেয়েদের সংখ্যাতাত্ত্বিক ও বৈজ্ঞানিক হিসাব নিকাশ এবং পরিসংখ্যানের বাইরে রাখায় গড়ে উঠেছে তা এই লেখায় চমৎকার ভাবে উঠে এসেছে। পর্দানশীল সাব অল্টার্নদের হিসাবের বাইরে রাখা কর্তৃত্বপরায়ন ও প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠির ক্ষমতা কাঠামোয় নিজেদের সর্বোচ্চ অবস্থান ধরে রাখার অপচেষ্টা মাত্র, আর এই উদ্দেশ্য নিয়েই তারা ইডেনের মেয়েদের বিষয়ে গড়ে তুলেছে এক মেটা নেরেটিভ। এই মেটা নেরেটিভের ডি কনস্ট্রাকশন করে যে কাউন্টার নেরেটিভ আপনি গড়ে তুলেছেন বর্তমান সময়ের বিয়ের বাজারে তার প্রয়োজনীয়তা ছিল অপরিসিম আর এই কারণে তৃতিয় শ্রেণীর লুল সমাজে আপনার এই অবদান গোবোরাক্ষরে লেখা থাকবে সন্দেহ নাই। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এই পোস্টটি স্টিকি করার তীব্র দাবি জানাচ্ছি। অসম্ভব ভালো লিখেছেন। এক কথায় অনবদ্য। বহুদিন পরে একটা ভালো লেখা পড়লাম। রবীন্দ্র পরবর্তী যুগে এধরনের লেখা আর আগে আসে নি। অনবদ্য…অসাধারণ… শুধু যে প্রাসঙ্গিক ও সময়উপযোগী লেখা তাই নয় একেবারে সমস্যার মূলে কুঠারাঘাত করেছেন। লেখকের বক্তবের সাথে পুরোপুরি একমত। এই পোস্টটিকে স্টিকি করা হৌক। * কবিতাটি কেমন যেন অন্যরকম ভালো লাগলো। কবিতার গভীরে যে সুর আপনি এনেছেন, তা অনবদ্য। কবিতার কাঠামোটা অনেক আকর্ষনীয় হয়েছে। * সমকালীন বঙ্গীয় সাহিত্যাকাশের উদীয়মান নক্ষত্রসম লেখকের এই প্রতিবেদন খানা সাহিত্য পিয়াসীদের মনে নিগূড় যে বেদনার সৃষ্টি করিয়াছে তাহা কেবলমাত্র নব্য একবিংশীয় ধারার তত্ত্বীয় দর্শনের সহিতে প্রাচীন চন্ডী মঙ্গলীয় রোমান্টিসজমের সামঞ্জস্যপূর্ণতার ব্যাখ্যাই নয়, বর্তমান পেটি বুর্জোয়াদের জলশুন্য অন্ন ভক্ষণের তীব্র ক্ষুধাও প্রকাশ করিয়াছে… * তৃতীয় বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে আমরা যখন সম্রাজ্যবাদীদের চোখ রাঙ্গানো আর আমলাতান্ত্রীক জটিলতার শিকার হয়ে ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছি একটি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে; ঠিক তখনি, ঠিক সেই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আপনার এই পোস্টের মাঝে আমি খোজে পাচ্ছি অন্ধকার ঠেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার একটি সম্ভবনা আর বিদেশী বেনিয়াদের কাছে বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্ব গ্রহন করার বিপক্ষে একটি সুক্ষ বার্তা যা আমার মনে মুড়ি খাওয়ার বাসনা জাগিয়ে তুলেছে। যাই, মুড়ি খেয়ে আসি। * আপনার এ ধরনের উদ্যোগ আমাদের জাতীয় জীবনে সে অভ্যাস তৈরীর ক্ষেত্রে একটি দিক নিশানা হতে চলেছে বলেই প্রতিভাত হয়। স্বাধীনতার চল্লিশ বছর পর আপনিই প্রথম ব্লগ জগতে এমন একটি প্রয়াস নিয়েছেন যা একই সাথে ডিসকোর্স এবং তার কাউন্টার ন্যারেটিভে বাইনারী অপোজিটসের উদাহরণ সৃষ্টি করবে। এর মধ্য থেকেই আমরা বের করে নিতে পারবো আমাদের পরিবর্তনের পথ। * আজকের বিশ্বে নারীর প্রতি সকল বৈষম্য-বঞ্চণা-শোষণ দূর করে পুরুষের সম-অধিকার ভোগ করা ও সুযোগ-সুবিধার নিশ্চিত করার জন্য আপনার এই মহান উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। যুগ যুগ ধরে আমাদের মেয়েরা ধর্মান্ধতা, ধর্মীয় অপব্যাখ্যা ও নানা কুসংস্কারের শিকার হয়ে শোষিত, বঞ্চিত নির্যাতিত, অবহেলিত পশ্চাৎপদ থেকেছে, তাদের প্রতি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে কেউ তাকায়নি। আপনি সেই মহান পুরুষ যিনি বাঙ্গালী ভাগ্যাহত নারীদের পাশে দাঃড়িয়েছেন এবং বাংলাদেশের নারীদের উন্নয়ন কাংখিত মাত্রায় পৌঁছেনোর জন্য এই রকম একটি অভাবনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। বাঙ্গালী ভাগ্যাহত নারীরা আপনাকে ফেভিকল দিয়ে ইডেনের গেটে “লটকিয়ে” রেখে চীরস্মরণীয় করে রাখবে। * বান্ধাইয়া রাখার মত পোষ্ট। একটা ফুলের মালা থাকবে ফ্রেমের গায়ে। * এই লেখাটিতে লেখক মনের অন্ধি সন্ধিতে যে মনস্তাত্বিক টানাপোড়েনের আভাস আমরা দেখতে পাই সেটা নিয়ে আসলে বিশদ আলোচনার অবকাশ রয়েছে। লেখাটিতে আমরা পাবলো পিকাসোর কিউবিজমের সাথে সালভাদর দালির স্যুরিয়ালিজমের একটি সম্মিলিত অভিক্ষেপের লিখিত রূপ দেখতে পাই। লেখককে সাধুবাদ তিনি খুবই মুনশিয়ানার সাথে এই দুটি বিপরীতমুখী চিত্রকলার ধারাকে একই লেখনীর মাধ্যমে প্রকাশ করতে পেরেছে। এ প্রসঙ্গেই স্বনামখ্যাত পরিচালক আকিরো কুরোশাওয়া হয়তো কখনো বলেছিলেন “দুটি বিপরীত ধারার মিলনে যেই লেখনী আমাদের সামনে প্রতিভাত হয়ে ওঠে সেটাই আসলে একটি ব্যবসা সফল চলচ্চিত্রের মূলকথা”। যাক, এই লেখা নিয়ে আলোচনা করার দুঃসাহস করলে পাতার পর পাতা আই মিন মেগাবাইটের পর মেগাবাইট শেষ হয়ে যাবে তবু আলোচনার সিদ্ধান্তে আসা কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে যাবে। * জাতির ক্রান্তিলগ্নে এরুপ পোস্ট প্রসব করে জাতিকে আলোর পথ প্রদর্শন করার জন্য আপনাকে রত্নগর্ভা ব্লগার উপাধি দেয়া হউক !!! সাথে পোস্টসহ লেখককে স্টিকি করার আবেদন জানালাম !! * শরৎবাবুর প্রয়ানের পর এহেন তাৎপর্যমন্ডিত লেখা আজ পর্যন্ত আমার চোখে পড়েনি। * রবীন্দ্র পরবর্তী যুগে এমন এমন লেখা চোখে পরে নাই ঘুমাইতে যাচ্ছিলাম,শুনলাম আপনি একটি ছবি পোষ্ট দিছেন।😆কিসের ঘুম কিসরে কি- বিছানা রেখে চলে আসলাম কমেন্ট করবো বলে, চাইনা আমি ঘুম! শুধু চাই আপনি প্রতিদিন এমন পোষ্ট করবেন, আমি লাইক কমেন্ট করবো। অসম্ভব ভাল ছবি। এক কথায় অনবদ্য। বহুদিন পরে একটা ভাল ছবি দেখলাম😂.একবিংশ শতাব্দীতে এধরনের ছবি আর আগে আসে নি। অনবদ্য এবং অসাধারণ। শুধু যে প্রাসঙ্গিক ও সময় উপযোগী ছবি তাই নয়, একেবারে অপরূপ সৌন্দর্যের মূলে কুঠারাঘাত করেছেন। তৃতীয় বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে আমরা যখন সম্রাজ্যবাদীদেরচোখ রাঙ্গানো আর আমলাতান্ত্রীক জটিলতার শিকার হয়ে ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছি একটি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে; ঠিক তখনি, ঠিক সেই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আপনার এই ছবির মাঝে আমি খুঁজে পাচ্ছি অন্ধকার ঠেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার একটি সম্ভাবনা ।😁😁আপনার এই ছবি হতে পারে আই.এস. এর বিরুদ্ধে আমাদের রুখে দাড়ানোর অনুপ্রেরণা। হতে পারে ২০২৩ বিশ্বকাপ জেতার অনুপ্রেরণা�😜এই ছবি হতে পারে ২০৫০ সালের নতুন লায়লি মজনুর প্রেমের কারণ । আপনার এই ছবি হতে পারে বাংলাদেশের প্রথম অস্কার বিজয়ী ছবির অনুপ্রেরণা। আপনার এই ছবি সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক সাংস্কৃতিক যেকোনো প্রক্ষাপট নিমিষে পাল্টে দিতে পারে,এই ছবি দেখে একজন ক্ষুদার্থ ব্যক্তি সারাদিন না খেয়ে থাকার যন্ত্রণা নিমিষে ভূলে যেতে পারে। সৌন্দর্য দেখার জন্য খুব বেশি দূরে যাওয়ার যে প্রয়োজন নেই তা আপনার ছবি দেখে আমি অনুধাবন করলাম, আমার ধারনা বিশ্বের বিখ্যাত সব সমালোচকদের এক সাথে করলেও এই ছবির কোন ভূল ধরতে পারবে না।😂.খুব বেশি কিছু বলবনা কারন আবেগে চোখে পানি চলে আসছে। ইহা আসলেই একটি দূর্দান্ত ছবি। অসাধারন মুখ ভঙ্গি আর যথাযথ পোজ ছবিটিকে আকর্ষনীয় করে তুলেছে।এমন পোজ জাতি আগে দেখে নাই।😱😲ছবিটি ক্যামেরার অসাধারন ব্যবহার হয়েছে। সঠিক ভাবে ফোকাস এবং ফ্রেমিং করা হয়েছ। মডেল হিংসার কারণ হবে এই ছবি। অসাধারণ মডেল,লোকেশন এবং এডিটের মিলবন্ধনের কারণেই আমি এত সুন্দর ছবি দেখতে পাচ্ছি। ফেসবুকবাসী এমন ছবি আরো দেখতে চায়। রিয়েলদের এমন অসাধারন ছবি জাতি বারবার দেখতে চায়।😜 আপনার পোষ্ট গুলো অসাধারণ, সবসময় সত্য কথা তুলে ধরেন; জনগণের চাওয়া-পাওয়া নিখুঁতভাবে তুলে ধরার জন্য আপ্রান চেষ্টা করেন। আপনার পোষ্ট গুলো আমার এককথায় অসাধারণ লাগে, খুবই যুক্তি সঙ্গতিপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন; আমি আশাবাদী আপনি একদিন এই বাংলার নাম্বার ওয়ান #বাইনচোদ হবেন।🙂 লজিকালি ব্যাপারটা এমন না। ব্যাপারটা যেমন ব্যাপারটা তেমন।যদি বলি বুঝবেন না, বললেও বুঝবেন না। তাই বলছিনা, বলার ইচ্ছা ছিল বাট বললে বুঝবেন কেমনে না বললেও ত বুঝবেন না তাই বলছি ব্যাপারটা এমন না।বুঝবেন কিন্তু বুঝবেন না, এভাবে বুঝালেও বুঝবেন না।তাই যেভাবেই বুঝাই না কেন মূল কথা হল আপনি বুঝবেন না। তাই আর বুঝাইলাম না প্রথমে ভুলে স্যাড রিয়্যাক্ট পড়ে গেছিলো, পরে হা হা রিয়্যাক্ট দিতে গিয়ে দেখি এমবি শেষ, মাথা পুরাই নষ্ট........ যে করেই হোক পোষ্টে হা হা দিতেই হবে। ফ্লেক্সিলোড এর দোকানে গিয়ে দেখি দোকান বন্ধ, শেষমেষ দোকানের সার্টার ভেঙ্গে রিচার্জ করে পোষ্টে হা হা দিলাম। ততক্ষনে পুলিশ বিষয়টা জেনে গেছে.......এখন দোকানের খুটির সাথে বাধা আছি, বেদম পিটানি খাচ্ছি..........তারপরও মনের মধ্যে শান্তি শান্তি লাগতাছে, পোষ্টে আমি হা হা দিতে পেরেছি। মিরপুর হার্ট ফাউন্ডেশনে যাচ্ছিলাম রোগী নিয়ে। মাঝপথে রোগীকে পোষ্টটা দেখালাম। আলহামদুলিল্লাহ রোগী এখন সুস্থ। বাসায় ফেরত যাচ্ছি! 🥴 আপনার এই পোস্ট দেখে বিভিন্ন জেলায় ২৬ জনের মৃত্যু ১শতাধিক মানুষ আহত অবস্থায় মেডিকেল এ ভর্তি!! কিছু মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি জায়গা জমি বিক্রি করে এমবি কিনে এই পোস্ট দেখার ইচ্ছা পোষন করছে🙂 এখনো কয়েকজন যুবক অজ্ঞান অবস্থায় পুকুরে শুয়ে আছে😑 হাজার খানেক মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়ে গেছে 🤕 আর কিছু মানুষ সেচ্ছায় পাবনা চলে গেছে 😔 ধন্যবাদ . এই পোষ্ট দেখে পাশের বাড়ির ছোট চাচির বড় মেয়ের ননদের ভাসুরের মেজো শালিকার বান্ধবীর চাচাত ভাইয়ের গার্লফ্রেন্ডের মামাতো বোনের জামাইর বন্ধুর ছোট ভাবীর বড় বোনের মেয়েটা হাঁসতে হাঁসতে অজ্ঞান হয়ে পড়েছে এখানে কমেন্ট করতে আসছি। আড্ডা মারতে নয়। কমেন্ট করা শেষ। এখন বাসায গিয়ে সাত ভাই চম্পা ছবি দেখবো সা মা জি ক দু র ত্ব ব জা য় রে খে ফাঁ ক ফাঁ ক ক রে ক মে ন্ট ক রু ন 🙆♂️ এ খ ন থে কে ক মে ন্ট ক রা র স ম য় এ ক টা অ ক্ষ র থে কে আ রে ক টা অ ক্ষ রে র ম ধ্যে দু র ত্ব ব জা য় রা খু ন। ধ ন্য বা দ এইসব পোস্ট করা বন্ধ করুন, রাতে এইসব পোস্ট দেখলে মুখ বন্ধ করে হাসতে হয়,, আর মুখ বন্ধ করে হাসলে খাট কাপে,, আর পাশের রুমের মানুষেরা অন্য কিছু ভাবে 😨 এই পোস্ট নিয়ে আমার যা বলার ছিলো তা এর আগের বক্তা বলে গেছে।🙄 যা বলবো ভেবেছিলাম ইনশাল্লাহ তা এর পরের বক্তা বলে যাবে।🤔 এই বলে আমি আমার দীর্ঘ বক্তব্য শেষ করছি। 😆 বাথরুমে বসেছিলাম, কাজ শেষ হওয়ার পরে দেখি পানি নাই। হটাৎ এই পোষ্ট টা চোখে পড়লো। হাস্তে হাসতে চোখ দিয়ে যা পানি বের হয়েছে তা দিয়ে কাজ সেরে ফেলেছি। খুবই মোটিভেশনাল কথা, এই পোষ্ট দেখে আরো হাজার বছর বেঁচে থাকার ইচ্ছে হচ্ছে... নতুন করে আশার আলো দেখিয়ে দিলেন পোষ্টদাতা... দয়া করে পোষ্টদাতাকে জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হোক... পোষ্টদাতার জন্য রইলো মায়ের দোয়া হোটেল এর এবং কারিনা কাপুরের বাগানের লাল গোলাপের শুভেচ্ছা. 😆 কে তুমি বৎস? ধরিয়া মৎস, বেচিলা গঞ্জে আকুল ও কুঞ্জে, না হইয়া তাজা ! ক্যান তুমি ভক্ষণ করিলে মেয়াদ উত্তীর্ণ গাজা? প্রথমেই ধন্যবাদ দিতে চাই পোষ্টদাতার নানি কে... কারণ তিনি পোষ্টদাতার আম্মুকে জন্ম দিয়েছেন । তারপর ধন্যবাদ দিব পোষ্টদাতার আম্মুকে... কারণ তিনি পোষ্টদাতাকে জন্ম না দিলে আজ আমরা এই পোষ্ট পেতাম নাহ্ । তারপরেই ধন্যবাদ দিব মার্ক জুকারবার্গ ভাইকে...কারণ তিনি ফেসবুক আবিষ্কার করে এই পোষ্ট দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন । সবশেষে ধন্যবাদ তাকে যিনি তার আজাইরা সময় ব্যায় করে এই কমেন্টটি পড়েছেন । thank you.. এক মহিলা সুদান গিয়েছিল চাকরি করতে, সেখানে এক সুদানি পুরুষের সাথে মহিলার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, এক সময় মহিলা প্রেগন্যান্ট হয়ে যায় এবং এর সাথে তার ভিসার মেয়াদও শেষ হয়ে যায়। যার কারণে সে বিয়ে করার জন্য সময় পাইনা দেশে চলে আসে এবং দেশে এসে সন্তান জন্ম দেয়। এখন এলাকার সকলে সেই ছেলে কে সুদানির পুত বলে ডাকে, আর সেই সুদানির পুত হলো এই সংবাদিক।
Comments
0 B
|👍
/👎